
মেধস মুনির আশ্রম (সর্ব প্রথম দূর্গা পূজা হয়)
বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গা পাহড়ে অবস্থিত এই মেধস মুনির আশ্রম। এই স্থানে সর্বপ্রথম দূর্গা পূজার প্রচলন শুরু হয়। মেধস মুনির আশ্রম চূড়া আশ্রমের হরিণ আশ্রমের কচ্চপ সীতা মায়ের ব্যবহৃত বাটনা এখনো এই আশ্রমে বিদ্যমান করলডেঙ্গা পাহাড় মূল মন্দির দূর্গা মায়ের সেবিত প্রতিমা

কালাচাঁদ ঠাকুর (লক্ষ্মী জনার্দন)
“অপুত্রক পুত্র পায়, কালাচাঁদ বরে, নির্ধনের ধনদাতা অশেষ প্রকারে অন্ধজনে পায় চক্ষু, সুখহীনে সুখ অনাথেরে করে দয়া, না করে বিমুখ।” কালা চাঁদ ঠাকুর (লক্ষ্মী জনার্দন)পুন্ডরিক বিদ্যানিধি ঠাকুরের সেবিত বিগ্রহ মূল গেইট ভিতরে মূল মন্দির চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় কানুনগোপাড়া গ্রামে কালাচাঁদ ঠাকুর বাড়ী অবস্থিত। চট্টগ্রাম বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল হতে বাসযোগে অথবা

গান্ধী আশ্রম
গান্ধী আশ্রম নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত একটি সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৭ সালের ২৯ জানুয়ারী হাত্মা গান্ধী নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগ বাজারে পরিদর্শনের জন্য যায়। তৎকালীন জমিদার ব্যরিস্টার হেমন্ত কুমার ঘোষ তার সম্পত্তি গান্ধীজির প্রচারে দান করেন এবং গান্ধীজির নামে একটি আশ্রম এই স্থানে প্রতিষ্ঠা করেন। গান্ধি আশ্রমে গান্ধিজির নামে একটি জাদুঘর

আদিনাথ ধাম
আদিনাথ মন্দিরে উঠার সিঁড়ি আদিনাথ মন্দিরে রাধা-মাধব বিগ্রহ স্বর্গের ফুল পারিজাতের কলি আদিনাথ মন্দিরের মূল শিব লিঙ্গ । এটি মাটি থেকে উঠে এসেছে। ত্রেতাযুগে রাম-রাবণের যুদ্ধে রাবণ রামের সঙ্গে জয়লাভের জন্য দেবাদিদেব মহাদেবের কাছে অমরত্ব বর প্রার্থনা করেন। মহাদেব এসময় কৈলাসে ধ্যানমগ্ন ছিলেন। তিনি রাবণের আরাধনায় সন্তুষ্ট হয়ে তাকে অভীষ্ট

বারবকুন্ড তীর্থ ক্ষেত্র
বারবকুন্ড মূল মন্দিরে উঠার সিঁড়ি শিব মন্দির কালভৈরবী মন্দির শিব লিঙ্গ বারব কুন্ডের জলন্ত অগ্নিকুন্ডলি মন্দির দেখার পর যদি ঝর্না দেখতে চান, তাহলে মন্দির গেইট থেকে নেমে হাতের বাম দিকে একটি খুম পাবেন, ঠিক তার পাশ ঘেষেই যে ঝিরিপথ আছে তা ধরে ২০-২৫ মিনিট হাটলেই প্রথম ঝর্না। ঝিরিপথ ধরে