
ব্রতের ভাত (আশ্বিন কুমারের ব্রত)
স্বর্গের চিকিৎসক অশ্বিনী কুমারদ্বয় সূর্যদেব ও সংজ্ঞা’র পুত্র। অভিশাপগ্রস্ত সংজ্ঞা জগজ্জনী পার্বতীর কাছে নিজের দুর্দশা থেকে মুক্তি চাইলে পার্বতী এক মুষ্টি চাল দিয়ে তাকে বলছিলেন-আশ্বিন মাসের শেষ তারিখ পূর্বরাত্রে শেষ দিবসে রেখে এই চাল ভক্তিপূর্বক রন্ধন শেষে মহাদেবের অর্চনা করতে হবে এবং কার্তিক মাসের ১ম দিবসে সেই অন্ন ভক্ষণে মনস্কামনা

মহাপ্রভুর স্বীকৃত সম্প্রদায় থেকে কেন দীক্ষা নিবেন? অপসম্প্রদায় থেকে দীক্ষা নিলে তার ফল কি হবে? তার শাস্ত্রীয় প্রমাণ।
এই চারটি সম্প্রদায়ে চারজন আচার্য্য দ্বারা কলিযুগে পারমার্থিক দীক্ষা জ্ঞান প্রবাহিত হয়েছে। ১) রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়), ২) মধবাচার্য (ব্রহ্ম সম্প্রদায়), ৩) বিষ্ণুস্বামী (রুদ্র সম্প্রদায়), ৪) নিম্বাকাচার্য (কুমার সম্প্রদায়)। উপরোক্ত ৪ সম্প্রদায় থেকে কেন দীক্ষা নিবেন তার সব শাস্ত্রীয় প্রমাণ নিম্নে দেওয়া হলোঃ পদ্মপুরাণ সম্প্রদায়বিহীনা যে মন্ত্রাস্তে নিষ্পলা মতাঃ। অতঃ কলৌ

ভক্তির প্রতিকূল অপসম্প্রদায় কে আবিষ্কার করেছে?
“আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই। সম্প্রদায় অপসম্প্রদায় সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি।। অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী। তোতা কহে, এ তরের সঙ্গ নাহি করি।।” …………………….(সূত্রঃ গৌড়ীয় কণ্ঠহার-১৩-১১১) অসৎ সম্প্রদায় বা অপসম্প্রদায়ের তেরটি নাম উল্লিখিত হয়েছে। আউল, বাউল, কর্তাভজা, নেড়া, দরবেশ, সাঁই, সহজিয়া, সখীভেকী, স্মার্ত, জাত-গোসাঞি, অতিবাড়ী, চূড়াধারী, গৌরাঙ্গ-নাগরী। এই তের প্রকার অপসম্প্রদায়

১৩ টি অপসম্প্রদায় কারা তাদের বর্ণনা
১) আউলঃ মায়াবাদের প্রকার বিশেষ এই মতবাদ। নিজেদের ঈশ্বর বলে মনে করে প্রকৃতিকে ভোগ করে যথেচ্ছাভাবে। পরনারী সঙ্গ করে। পতিতা বারবণিতো এদের কোন বাচ-বিচার নেই। সকলের সাথে এদের সমন্বয়। অবাধ মেলামেশা, বিধবা লোলুপ এবং পরস্ত্রী ভুলিয়ে নিতে পারলে এরা আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তোলে। ২) বাউলঃ এটিও মায়াবাদের মধ্যে। আউল বাউলের মধ্যে

মহাপ্রভু স্বীকৃত ৪ সম্প্রদায় কি কি? এবং ১৩ অপসম্প্রদায় কারা?
দীক্ষা নেওয়ার আগে খেয়াল রাখবেন আপনার গুরুদেব যেন মহাপ্রভুর স্বীকৃত ৪টি সম্প্রদায় গুলির অর্ন্তভুক্ত হয়। মহাপ্রভু স্বীকৃত ৪ টি সম্প্রদায় গুলি কি কি এবং ১৩ টি অপসম্প্রদায় কি কি? কলিযুক পাবন অবতার শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু স্বীকৃত চার সম্প্রদায়ঃ ১) রামানুজাচার্য (শ্রী সম্প্রদায়), ২) মধবাচার্য (ব্রহ্ম সম্প্রদায়), ৩) বিষ্ণুস্বামী (রুদ্র সম্প্রদায়), ৪)

সনাতন ধর্মের চারটি বর্ণ প্রথা
সনাতন ধর্মের চারটি বর্ণ প্রথা প্রচলিত আছে। যথাঃ ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় বৈশ্য শূদ্র আমরা মনে করি যে, একজন ব্রাহ্মণের পুত্রই ব্রাহ্মণ! ক্ষত্রিয়ের পুত্রই ক্ষত্রিয়! বৈশ্যের পুত্রই বৈশ্য! শূদ্রের পুত্রই শূদ্র! এই সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের প্রথমেই জানতে হবে- ব্রাহ্মন কি? ক্ষত্রিয় কি? বৈশ্য কি? শূদ্র কি? ব্রাহ্মণঃ ব্রহ্মজ্ঞানে বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ব্যক্তি, যিনি