
পুরুষোত্তম ব্রত পদ্ধতি
যোগো জ্ঞানং তথা সাংখ্যং তন্ত্রাণি সকলান্যপি। পুরুষোত্তমদীপস্য কলাং নার্হন্তি ষোড়শীম্ ।। অনুবাদঃ অষ্টাঙ্গযোগ, ব্রহ্মজ্ঞান ও সাংখ্যজ্ঞান এবং সমস্ত তান্ত্রিক ক্রিয়া পুরুষোত্তম মাসে দীপদানের ষোড়শী কলারও তুল্য হয় না। বিবিধ নিয়মাবলিঃ সর্বপ্রকার মতস্য ও আমিষ , মাংস, মধু, কুলকর্কটীফল, সরিষা এবং সমস্ত মাদকদ্রব্য পরিত্যাগ করবে। দ্বিদল অর্থাত ছোলা ডাল, তিল, তৈল,

পুরুষোত্তম মাস -এর মহিমা এবং দ্রোপদীর পূর্ব জন্ম লীলী
পদ্মপুরাণেও পুরুষোত্তম মাস মহিমা বিস্তৃতরূপে বর্ণিত আছে। একদা নৈমিষারণ্যে হাজারো ঋষি সমবেত হয়ে তপস্যা করছিলেন। সৌভাগ্যবশত, সেখানে সুত গোস্বামী সশিষ্য উপনীত হলেন। মুনিগণ তাঁকে দেখতে পেয়ে ততক্ষণাত দাাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করলেন এবং একটি উত্তম ব্যাসাসনে বসতে দিলেন। মুনিগন করজোড়ে বলতে লাগলেন, হে সুত গোস্বামী! আমরা পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চমতকার ও

পুরুষোত্তম মাস দামোদর মাসের চেয়ে এক হাজার গুন বেশী ক্ষমতাশালী
অধিক মাস নিজেকে অসংরক্ষিত অনুভব করল, কারণ লোকেরা তাকে খারাপ নামে অর্থাৎ মলমাস বলে ডাকে। তাই নারায়ণের কাছে গেল এবং তাঁকে জিজ্ঞাস করল এখন সে কী করবে। তখন তিনি তাকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করাতে নিয়ে গেলেন এবং অধিক মাস তখন নিজেকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীপাদপদ্মে সমর্পন করলেন এবং ভগবান শ্রীকৃৃষ্ণ বলেন,

পুরুষোত্তম মাস -্এর মহিমা
পুরুষোত্তম মাসের এত ক্ষমতা যে, এই মাস পালনকারী সকলকে আমি কৃপা করতে দায়বদ্ধ। যিনি এ ব্রত পালন করেন তার পূর্বের সকল পাপ বিনাশ হয়। পুরুষোত্তম ব্রত পালন না করে কেউ শুদ্ধভক্তিযুক্ত সেবা করতে পারে না। বেদে বর্নিত অন্যান্য কঠোর সংযমও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার চেয়েও পুরুষোত্তম মাসের গুরুত্ব অনেক অধিক।

পুরুষোত্তম মাস -এর লীলামৃত
‘পুরুষ’ অর্থাৎ ভোক্তা বা ভগবান; উত্তম মানে আধ্যাত্মিক। পুরুষোত্তম মানে ‘আধ্যাত্মিক পরম ভগবান’। ভগবদগীতার ১৫তম অধ্যায়কেও পুরুষোত্তম যোগ বলা হয়। পাণ্ডবেরা শ্রীকৃষ্ণকে জিজ্ঞাসা করলেন ভক্ত হয়েও কেন জীবদ্দশায় তাদেরকে বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করতে হয়েছিল। একটি পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে যেহেতু তারা যথাযথভাবে পুরুষোত্তম মাস পালন করেননি সে অপরাধের

সকল মাসের আধিপতি পুরুষোত্তম মাস
বৃহন্নারদীয় পুরাণে অধিমাসের মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। দ্বাদশ মাসের আধিপত্য দেখে, এই অধিমাস বৈকুণ্ঠাধিপতি শ্রীনারায়ণকে নিজ দুঃখ জ্ঞাপন করেছিলেন। তাই স্বয়ং নারায়ণও কোনো উপায়ান্তর না দেখে অধিমাসকে সঙ্গে করে গোলোকে শ্রীকৃষ্ণের কাছে গেলেন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অধিমাসের (মলমাসের) আর্তি শ্রবণ করে দয়ার্দ্র চিত্ত হলেন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, হে রমাপতি! আমি যেমন এই জগতে