
ভক্তের মধ্যে ভগবান
পরমাত্মারূপে ভগবান প্রত্যেক জীবের অন্তরে নিত্য বিরাজমান। সর্বস্য চাহং হৃদি সন্নিবিষ্টো (গীতা ১৫/১৫) কিন্তু ভগবদবিমুখ ব্যক্তি কখনই তাঁকে জানতে পারে না। মূঢ় ব্যক্তিরা ভগবানকে অবজ্ঞা করে। অবজানন্তি মাং মূঢ়াঃ (গীতা ৯/১২)। ভগবান প্রতি অণু-পরমাণুতেও রয়েছেন, অণ্ডান্তরস্থ পরমাণুচয়ান্তরস্থং (ব্রহ্মসংহিতা) কিন্তু তাকে জানতে হলে শ্রদ্ধাভক্তি দরকার। যার মধ্যে ভগবদ্ভক্তি রয়েছে সে-ই ভক্ত।

শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বর্নণায় ভক্তের মহিমা
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ভক্তের মহিমা বললেন- যে বৈষ্ণব নামে হয় সংসার পবিত্র। ব্রহ্মাদি গায়েন যে বৈষ্ণব চরিত্র।। যে বৈষ্ণব ভজিলে অচিন্ত্য কৃষ্ণ পাই। সে বৈষ্ণব পূজা হৈতে বড় আর নাই।। শেষ রমা অজ ভব নিজ দেহ হৈতে। বৈষ্ণব কৃষ্ণের প্রিয় কহে ভাগবতে।। তথাহি ভাগবতে (১১/১৪/১৫) ন তথা মে প্রেয়তম আত্মযোনিন

ভগবান কোথায় থাকেন ??
একদিন নারদজী ভগবানকে খুঁজেছিলেন। তিনি তো থাকেন বৈকুণ্ঠে। কিন্তু বৈকুণ্ঠে গিয়ে দেখলেন, ভগবান বৈকুণ্ঠে নেই। মা লক্ষ্মী আছেন। নারদজী মা লক্ষ্মীকে জিজ্ঞাসা করলেন- মা প্রভু কোথায় গেলেন? মা লক্ষ্মী বললেন- “প্রভু কোথায় গেলেন আমাকে বলে যান নি। নারদজী চিন্তা করছেন, মা লক্ষ্মীকে ছেড়ে প্রভু চলে গলেন। প্রভুর প্রিয়া তিনি। মনে

বিহারীজীর ভক্ত নন্দা নাপিত
একদা এক নাপিত ছিল তার নাম নন্দ। সে বিহারীজী ভক্ত ছিল। সকালে উঠে বিহারীজীর সেবা করত। বিহারীজীকে ভোগ লাগাত। কীর্তন করত। তারপর নিজের কাজে যেত। রাজার দাঁড়ি কাটা তাঁর প্রথম কাজ। তারপর রাজা রাজ সভাতে যেত। তারপর নন্দা নাপিত নগরে কাজ করতে যেত। যা পেত তাতে জীবন কাটত। একটি শ্রীকৃষ্ণসেবার

অন্ধ ভক্ত সুরদাস
ভক্ত সুরদাস নামে ভগবানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তিনি ছিলেন অন্ধ। একবার রাতে অন্ধকারে হাতে হারিকেন নিয়ে সুরদাস যাচ্ছেন। সবাই জিজ্ঞাস করছেন, সুরদাসজী আপনি তো চোখে দেখেন না। হারিকেন কেন হাতে? সুরদাসজী বললেন, যাদের চোখ আছে তাদের জন্য। হঠাৎ কিছু দূর গিয়ে একটা গর্তে পড়ে গেলেন তিনি। সুরদাস চিৎকার করে