শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু ভক্তের মহিমা বললেন-
যে বৈষ্ণব নামে হয় সংসার পবিত্র।
ব্রহ্মাদি গায়েন যে বৈষ্ণব চরিত্র।।
যে বৈষ্ণব ভজিলে অচিন্ত্য কৃষ্ণ পাই।
সে বৈষ্ণব পূজা হৈতে বড় আর নাই।।
শেষ রমা অজ ভব নিজ দেহ হৈতে।
বৈষ্ণব কৃষ্ণের প্রিয় কহে ভাগবতে।।
তথাহি ভাগবতে (১১/১৪/১৫)
ন তথা মে প্রেয়তম আত্মযোনিন শঙ্করঃ।
ন চ সঙ্কর্ষনো ন শ্রীনৈবাত্মা চ যথা ভবান্।।
অনুবাদঃ হে উদ্ধব ! তুমি অর্থাৎ ভক্ত আমার যেরূপ প্রিয়তম, ব্রহ্মা, শিব, সঙ্কর্ষণ এবং লক্ষ্মীদেবীও সেরূপ প্রিয়তম নহেন। এমনকি মদীয় শ্রীবিগ্রহও সেরূপ প্রিয়তম নহে।
হেন বৈষ্ণবের নিন্দা করে যেই জন।
সে-ই পায় দুঃখ-জন্ম জীবন মরন।।
বিদ্যা-কুল-তপ সব বিফল তাহার।
বৈষ্ণব নিন্দায়ে যে যে পাপী দুরাচার।।
পুজাও তাহার কৃষ্ণ না করে গ্রহণ।
বৈষ্ণবের নিন্দা করে যে পাপিষ্ঠ জন।।
যে বৈষ্ণব নাচিতে পৃথিবী ধন্য হয়।
যার দৃষ্টিমাত্র দশদিকে পাপ ক্ষয়।।
যে বৈষ্ণব-জন বাহু তুলিয়া নাচিতে।
স্বর্গের সকল বিঘ্ন ঘুচে ভাল মতে।।
—–শ্রীচৈতন্য ভাগবত।
No Comment! Be the first one.