প্রভুপাদ শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ষড়শীতিতম আবির্ভাব তিথিতে রচিত
বৈশিষ্ট্যাষ্টক
চতুর্থ বৈশিষ্ট্য
এ সব নহে প্রভুর প্রচারের রীতি।
এ সব করেছে গুরু-গোঁসাইর জাতি ।। ১ ।।
কিন্তু চেয়ে দেখ কিবা দুর্দশা হয়েছে।
বিষয়ী হইয়া সবে প্রচার ছেড়েছে ।। ২ ।।
মন্দিরেও তালাবন্ধ হয়েছে আরম্ভ।
ভাগবত প্রচার কর, না কর বিলম্ব ।। ৩ ।।
মেদিনীর মধ্যে আছে একটি মেদিনী।
কিংবা শব্দ যায় তব অসম ভেদিনী ।। ৪ ।।
‘মোল্লার দৌড় তাই মসজিদ্ পর্যন্ত’।
এসব প্রচারকার্য আজি কর অন্ত ।। ৫ ।।
আসমুদ্র মেদিনীপার ব্রহ্মাণ্ড-ভেদিনী।
সকলে মিলিয়া কর প্রচার-বাহিনী ।। ৬ ।।
তবে সে প্রভুর পূজা হবে পরিপাটি।
আজই প্রতিজ্ঞা কর ছাড় কুটি-নাটি ।। ৭ ।।
আজই একত্র হয়ে করহ মন্তব্য।
পাঁচে মিলি বিচারহ কি করা কর্তব্য ।। ৮ ।।
ত্যাগী হইয়াছ ভাই, কর সবে ত্যাগ।
‘বাণী’ ত্যাগ কর যদি কিসের বিরাগ ? ৯ ।।
‘গুরু-ভোগী’, ‘গুরু-ত্যাগী’ দুই ত’ অসার।
‘গুরু-সেবী’ হলে পর বুঝিবে বিচার ।। ১০ ।।
No Comment! Be the first one.