কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে আত্মীয়স্বজন নিধনে স্পর্শে করে পাপ। সেই পাপঙ্খলনের জন্য পঞ্চপাণ্ডব হিমালয় গেলেন দেবাদিদেব মহাদেব দর্শনে। শিবও তখন পালিয়ে বেড়ান। পঞ্চপাণ্ডবও শিবের পিছু নিলেন। তখন শিব মহিষরূপ ধারণ করেন। ভীম জাপটে ধরেন মহিষরূপী শিবের পশ্চাৎভাগ। মদমহেশ্বরে নাভি, তুঙ্গনাথে বাহু, রুদ্রনাথে মুখ, কল্পেশ্বরে জটা। হিমালয়ের এই পঞ্চতীর্থ পঞ্চকেদার নামে পরিচিত।
১) কেদারনাথঃ
কলিকাতা থেকে হৃষীকেষ ট্রেনে। হৃষীকেশ থেকে গৌরীকুণ্ড। গৌরীকুণ্ড থেকে হাঁটা পথে কেদারনাথ। সাধারণ দীপাবলীতে দরজা বন্ধ হয় মন্দিরের, খোলে অক্ষয় তৃতীয়ায়। বছরের বাকি সময় বরফে ঢাকা থাকে কেদার। মন্দিরও বন্ধ। আজকাল বাসও যাচ্ছে গৌরীকুণ্ড পর্যন্ত।
২) শ্রীমদমহেশ্বরঃ
গৌরীকুণ্ড থেকে বাস পথের নালা বা জুরানী বা গুপ্তকাশী থেকে পায়ে হাঁটা ত্রিমুখী পথ গিয়েছে মদমহেশ্বরে। দেবতা এখানে মহিষরূপী শিবের নাভী।
৩) শ্রীতুঙ্গনাথঃ
মদমহেশ্বর দেখে পায়ে হাঁটা পথে উখীমঠ পৌঁছান। তুঙ্গনাথের পথ গিয়েছে এই উখীমঠ থেকেই। গৌরীকুণ্ড থেকেও বাসে চোপতা পৌঁছে যাওয়া যায় তুঙ্গনাথ। দেবতা এখানে মহিষরূপী শিবের বাহু।
৪) শ্রীরুদ্রনাথঃ
তুঙ্গনাথ থেকে মণ্ডল চটি। মণ্ডল চটি থেকে পাহাড়ী পথ রুদ্রনাথের। খুবই দুর্গম এই পথ। এখানে দেবতা মহিষরূপী শিবের মুখ।
৫) শ্রীকল্পেশ্বরঃ
রুদ্রনাথ দেখে গোপেশ্বর হয়ে চামেলীতে পৌঁছে যোশীমঠের বাসে চলুন কল্বেশ্বর। এখানে মন্দিরে রয়েছেন মহিষরূপী শিবের জটা।
No Comment! Be the first one.