যেকোন জীব বিশেষ করে বৈষ্ণব চরণে অপরাধের বিষয়ে আমাদের খুবই সতর্ক থাকা উচিত। একজন বৈষ্ণব তার দেহ ও মনের ক্রিয়া দ্বারা কখনই কারো ক্ষতি করতে চান না। কোন ব্যক্তি আপনার ক্রোধের কারণ হলে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে আপনি তাকে আঘাত করতে চান, তাই না ? কিন্তু এটা হলো নীচ প্রকৃতির প্রতিক্রিয়া। একজন বৈষ্ণব ব্যক্তিগত সব অসুবিধাই সহ্য করেন।
সেজন্য বৈষ্ণবদের সঙ্গে একত্রে থাকাটা একটা বড় আশীর্বাদ, কারণ এতে অধিক বৈষ্ণব সঙ্গ পাওয়া যায় কিন্তু যদি কেউ অপরাধ এড়িয়ে চলতে যত্নশীল না হয়, হবে তার জন্য এটা বিপজ্জনকও বটে। আমাদের জানা উচিত যে, বেশি সতর্কতা অবলম্বনের জন্যই আমরা মন্দিরে থাকি। মন্দির বাসের এটাও একটা কারণ।
শ্রীল প্রভুপাদ অনেকবার তাঁর শিষ্যদের সাবধান করে দিয়েছিলেন; যে ব্যাপারটি তাঁকে খুব বিরক্ত করত, তা ছিল ভক্তরা এমনকি তাঁর উপস্থিতিতেও কখনো কখনো একে অন্যের সমালোচনা বা পরস্পর ঝগড়া করত। তখন তিনি তাদের বলতেন, এমন করা খুব খারাপ। যে-ই হোক, যারা কৃষ্ণের সেবা করছে, তারা প্রত্যেকেই কৃষ্ণের প্রিয়। তাই জড় জাগতিক কিংবা পারমার্থিক যেকোন উন্নতির ব্যাপারেই তাদের যেন কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।
No Comment! Be the first one.