প্রভুপাদ শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ষড়শীতিতম আবির্ভাব তিথিতে রচিত
বৈশিষ্ট্যাষ্টক
প্রথম বৈশিষ্ট্য
সেদিন বিরহে প্রভু করিয়াছি খেদ।
অসহ্য হয়েছে যেই শ্রীগুরু-বিচ্ছেদ ।। ১ ।।
আজিকার শুভদিনে পূজিবার তরে।
এনেছি অঞ্জলি এই পাদপদ্ম স্মরে ।। ২ ।।
(মহা) প্রভুর বিচার সব বৈরাগ্য প্রধান।
অথচ করিতে হবে সবাকারে দান ।। ৩ ।।
কনিষ্ঠের অধিকারে নহে সমাধান।
মহাভাগবত তুমি দিয়েছ সন্ধান ।। ৪ ।।
অজ্ঞানে মোহিত যারা কিসের বৈরাগী ?
ফল্গু-বৈরাগী তারা বাহিরেতে ত্যাগী ।। ৫ ।।
অপ্রাকৃত অনুভবে হয় সে বৈরাগ্য।
অনুভব বিনা সেই ‘Show bottle‘ আখ্য ।। ৬ ।।
আর এক ‘শো-বটল’ প্রচারের তরে।
প্রভুর সন্ন্যাস যেই মায়াবাদী হারে ।। ৭ ।।
বর্ণাশ্রম-অতীত সেই চৈতন্যের বাণী।
ভাগবত-ধর্ম সেই কৈতবের হানি ।। ৮ ।।
শুষ্ক বৈরাগ্য ক’রে হবে না প্রচার।
যুক্ত বৈরাগ্য হয় সর্ব সারাৎসার ।। ৯ ।।
“তোমার প্রদত্ত সন্ন্যাস” ভক্তিতে প্রচার।
পাষণ্ড ভোগীর দল বুঝিতে নাচার ।। ১০ ।।
No Comment! Be the first one.