
শ্রীশ্রী সন্তোষীমাতার ব্রত কথা
ভক্তিভরে যে সকল নারী সন্তোষীমাতার ব্রত উদযাপন করিবে সেই নারীগণ বৈধব্য যন্ত্রণা পায় না। সকল মনোবাসনা পূর্ণ হয়। সারাজীবন স্বামী-পুত্রাদি ও পরিজনবর্গসহ সুখে স্বচ্ছন্দে কাল কাটায়। গৃহে অর্থাভাব থাকবে না। যে কোন বয়সের পুরুষ ও নারী এই ব্রত করতে পারে। এক বণিক বাস করিত কোন এক গ্রামে। নিজ পত্নী ও

শ্রীশ্রী লক্ষ্মীদেবী (Laxmidavi) ব্রতকথা
দোল পূর্নিমার নিশি, নির্মল আকাশ। ধীরে ধীরে বহিতেছে মলয় বাতাস।। লক্ষ্মীদেবী বামে করি, বসি নারায়ণ। করিতেছে নানা কথা সুখে আলাপন।। সেইকালে বীণা হস্তে, নারদ মুনিবর। লক্ষ্মী নারায়ণে নামি কহিল বিস্তর।। ঋষি বলে মাগো তব, কেমন বিচার। সর্বদা চঞ্জলা হয়ে ফির দ্বারে দ্বার।। মর্তবাসী সদা তাই, ভুগিছে দুর্গতি। ক্ষণেকের তরে তব

Etupuja ইতুপূজা ব্রতকথা
Etupuja-ইতুপূজা এক গ্রামে ছিল এক ব্রাহ্মণ-ব্রাহ্মণী । বহুকষ্টে দিন তার যায় ভিক্ষা করে ।। উমনো ঝুমনো তাদের দুই মেয়ে ছিল । বামুনের পিঠে খেতে মনে সাধ হলো ।। অতি কষ্টে বামুন পিঠের যোগাড় করে । সন্ধ্যার সময়ে আনি দিল ব্রাহ্মনীরে ।। রত্রিতে ব্রাহ্মণী পিঠে করিতে লাগিল । ঘরের পশ্চাতে বসি

জিতাষ্টমী ব্রতকথা
ত্রেতাযুগে চম্পক নগরে এক ধার্মিক ব্রাহ্মণের সুভদ্রা নামে এক কন্যা ছিল। একবার রাজ্যে খুব অকাল বৃষ্টি দেখা দিল, রাজা ঘোষণা করলেন, তার বাবার শ্রাদ্ধের জন্য যে আতপ চাল তৈরী করে দেবে, তাকে তিনি একটি সোনার তাল পুরস্কার দিবেন। কিন্তু কেউ সাহস করলো না, শুধু সেই ব্রাহ্মণ কন্যা সুভদ্রা রাজী হলো।

মঙ্গলচণ্ডী বা জয় মঙ্গলবারের ব্রতকথা
রত্নাবতী নামে এক ভক্তিমতী সধবা ব্রাহ্মণী ছিল। এক নাপতিনি তার সই ছিল। তার নাম কামিনী। একদিন নাপতিনি বললেন- সই আমার খুব দুঃখ-কষ্ট, কি করি বলতো? ব্রাহ্মণী বললেন- জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রতি মঙ্গলবারে মঙ্গলচণ্ডীর ব্রত কর। সইয়ের কথা শুনে সে ব্রত করলো, ফলে তার সব দুঃখ ঘুচে গেল। কিছুদিন পরে সে সুখ

অক্ষয়তৃতীয়া ব্রতকথা
একদা ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির শতানীক মুনির নিকট ধর্মকথা-শ্রবণ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করেছিলেন- “হে মহর্ষিপ্রবর। আপনার মুখে ইতিপূর্বে জলদানের মাহাত্ম্য শ্রবণ করেছি, অধুনা পুনরায় উহা সবিস্তারে শ্রবণ করার বাসনা করছি। কৃপা করে পুরঃসর কীর্তন করুন। শতানীক বললেন- পুরাকালে কর্কশভাষী, ক্রোধী, নিষ্ঠুর, ধর্মকর্ম ত্যাগী এক ব্রাহ্মণ ছিল। একদা এক ব্রাহ্মণ ক্ষুদা তৃষ্ণায় কাতর হয়ে