
মন রে, কেন মিছে ভজিছ অসার
মন রে, কেন মিছে ভজিছ অসার ? ভূতময় এ সংসার, জীবের পক্ষেতে ছার, অমঙ্গল-সমুদ্র অপার।। ১।। ভূতাতীত শুদ্ধজীব, নিরঞ্জন সদাশিব, মায়াতীত প্রেমের আধার। তব শুদ্ধসত্তা তাই, এ জড়-জগতে ভাই, কেন মুগ্ধ হও বারবার ? ২।। ফিরে দেখ একবার, আত্মা অমৃতের ধার, তা’তে বুদ্ধি উচিত তোমার। তুমি আত্মারূপী হ’য়ে, শ্রীচৈতন্য-সমাশ্রয়ে, বৃন্দাবনে

দামোদরাষ্টকম্
নমামীশ্বরং সচ্চিদানন্দরূপং লসত-কুণ্ডলং গোকুলে ভ্রাজমানম্। যশোদভিয়োলূখলাব্ধাবমানং পরামৃষ্টমত্যং ততো দ্রুত্য গোপ্যা ।।১।। রুদন্তং মুহুর্নেত্রযুগ্মং মৃজন্তং করাম্ভোজযুগ্মেন সাতঙ্কনেত্রম্। মুহুশ্বাসকম্প-ত্রিরেখাঙ্ককণ্ঠ স্থিত-গৈব-দামোদরং ভক্তিবদ্ধম্ ।।২।। ইতীদৃকস্বলীলাভিরানন্দকুণ্ডে স্বঘোষং নিমজ্জন্তমাখ্যাপয়ন্তম্। তদীয়েশতজ্ঞেষু ভক্তৈজিংতত্ত্বং পুনঃ প্রেমতস্তং শতাবৃত্তি বন্দে ।।৩।। বরং দেব ! মোক্ষং ন মোক্ষাবধিং বা ন চান্যং বৃণেহহং বরেশাদপীহ। ইদন্তে বপুর্নাথ ! গোপালবালং সদা মে মনস্যাবিরাস্তাং কিমন্যৈঃ ।।৪।।

শ্রীচৌরাগ্রগণ্য পুরুষোষ্টকম্
ব্রজে প্রসিদ্ধং নবনীতচৌরং গোপাঙ্গনানাং চ দুকূলচৌরম। অনেক-জন্মার্জিত-পাপচৌরং চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং নমামী ।। ১ ।। যিনি ব্রজে নবনীত চোর ও গোপাঙ্গনাগণের রমন চোর বলিয়া প্রসিদ্ধি ও যিনি সভক্তগণের অশেষ জন্মার্জ্জিত পাপ সকল হরণ করেন, সেই চোর শিরোমণিকে আমি নমস্কার করি ।। ১ ।। শ্রীরাধিকায়া হৃদয়স্য চৌরং নমাম্বুদশ্যামলকান্তিচৌরম্। পদাশ্রিতানাং চ সমস্তচৌরং চৌরাগ্রগণ্যং পুরুষং

শ্রীশ্রী রাধা কৃপা কটাক্ষ স্তব রাজ
“উদ্ধাম্নায় তন্ত্র” মুনিন্দ্র বৃন্দ বন্দিতে ত্রিলোক শোক হারিনি। প্রসন্নবক্র-পঙ্কজে নিকুঞ্জ-ভূ-বিলাসিনী।। ব্রজেন্দ্র ভানু নন্দিনী ব্রজেন্দ্র সৃনু-সজতে। কদা করিষ্যসিহ মাম্ কৃপাকটাক্ষ ভাজনম্ ।।১।। অশোক বৃক্ষ বল্লরী বিতান-মন্ডপ-স্থিতে। প্রবাল-বাল-পল্লব প্রভারুনাঙ্ঘি কমলে।। বরাভয় স্ফূরত করে প্রভুতা সম্পদালয়ে। কদা করিষ্যসিহ মাম্ কৃপা কটাক্ষ ভাজনম্ ।।২।। অনঙ্গ-রঙ্গ-মঙ্গল-প্রসঙ্গ ভঙ্গুর ভ্রুবম্। স বিপ্রমম্ স সম্ভ্রমম্ দৃগন্ত বান পাতনৈঃ।।

যদি প্রভুপাদ না হইত তবে কি হইত
শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ এর মহিমা শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজ যদি প্রভুপাদ না হইত তবে কি হইত এ জীবন বহিতো কিসে? নিতাই-গৌরের, অপার করুণা, কে দিতো সকল দেশে ।। পাশ্চাত্যের যত পাপী দূরাচারী শূণ্যবাদী মায়াবাদী । তাদের উদ্ধার করিবারে মন হেন কোন্ দয়ানিধি ।। তাদের নিকটে, কোন্ জনা আসি,

দুষ্ট মন ! তুমি কিসের বৈষ্ণব?
বৈষ্ণব কে? দুষ্ট মন ! তুমি কিসের বৈষ্ণব? প্রতিষ্ঠার তরে, নির্জনের ঘরে, তব ‘হরিনাম’ কেবল ‘কৈতব’।।১।। জড়ের প্রতিষ্ঠা, শুকরের বিষ্ঠা, জান না কি তাহা ‘মায়ার বৈভব’। কনক-কামিনী, দিবস-যামিনী, ভাবিয়া কি কাজ, অনিত্য সে সব ।।২।। তোমার কনক, ভোগের জনক, কনকের দ্বারে সেবহ ‘মাধব’। কামিনীর কাম, নহে তব ধাম, তাহার মালিক

সে শুভদিনের আরাধনা করে
শ্রীগুরুদেব বন্দনা (Guru Bondana) সে শুভদিনের আরাধনা করে জাগরে জগৎবাসী। চৈত্র মধুর, স্বর্গ-মেদুর শুভ লগনের রাশি।। যেদিন আমার হৃদয়ের রাজ গুরুদেব মহারাজ। পূত পুরীধামে প্রকাশি আপনি হরে পৃথিবীর ত্রাস।। দেবদূত-সম গুরুমহারাজ আলোকে প্লাবিত কর। জীবন-যুদ্ধে পরাজিত মোর ভয়-সন্ত্রাস হর।। দুর্লভতম মানব জীবন, তথাপি ভরসাহীন। তব কৃপা বিনা আমি অসহায় অপারগ

My Lord and Master His Divine Grace
শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের দ্বিষষ্ঠীতম আবির্ভাব তিথিতে তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে রচিত My Lord and Master His Divine Grace 1. Adore adore ye all the happy day, Blessed than heaven, sweeter than May. When he appeared at Puri, the holy place, My Lord and Master, His Divine Grace. 2. Oh! my

ওহে বৈষ্ণব ঠাকুর দয়ার সাগর
বৈষ্ণব বন্দনা ওহে! বৈষ্ণব ঠাকুর, দয়ার সাগর, এ দাসে করুণা করি। দিয়া পদছায়া, শোধ হে আমায়, তোমার চরণ ধরি ।। ১ ।। ছয় বেগ দমি, ছয় দোষ শোধি, ছয় গুণ দেহ দাসে। ছয় সৎসঙ্গ, দেহ’ হে আমারে, বসেছি সঙ্গের আশে ।। ২ ।। একাকী আমার, নাহি পায় বল, হরিনাম সংকীর্তনে।

বড়-কৃপা কৈলে কৃষ্ণ অধমের প্রতি
মার্কিনে ভগবৎ-ধর্ম [১৯৬৫ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর শ্রীল ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের Prabhupad জাহাজ ‘জলদূত’ বোস্টন বন্দরে পৌঁছায়, তার পরের দিন, ১৮ ই সেপ্টেম্বর শ্রীল প্রভুপাদ এই কবিতাটি রচনা করেন।] বড়-কৃপা কৈলে কৃষ্ণ অধমের প্রতি। কি লাগি আনিলে হেথা করো এব গতি।। আছে কিছু কার্য তব’ এই অনুমানে। নহে কেন আনিবেন এই