
শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুরের জীবনী
আদিশূর কর্তৃক আহূত হয়ে শ্রীপুরুষোত্তম বঙ্গদেশে শভাগমন করেছিলেন। শ্রীপুরুষোত্তমের বংশে সপ্তম ও অষ্টম অধস্তনরূপে শ্রীবিনায়ক এবং তাঁর পুত্র শ্রীনারায়ণ রাজমন্ত্রী হয়েছিলেন। এ বংশে পঞ্চদশ পর্যায়ে রাজা কৃষ্ণানন্দ দত্তের জন্ম হয়। তিনি ছিলেন কৃষ্ণভক্ত। শ্রীমন্নিত্যানন্দ প্রভু তার গৃহে সপার্ষদে শুভপদার্পণ করে তাঁকে অনেক আর্শীবাদ করেছিলেন। তাঁরই বংশে পরবর্তীকালে জন্মগ্রহণ করেন মহাত্মা

শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজি মহারাজের জীবনী
পরমহংস শ্রীল গৌরকিশোর দাস বাবাজি মহারাজের আবির্ভাব স্থান বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার অন্তর্গত টেপাখোরার নিকটে পদ্মানদীর তটবর্তী “বাগযান” গ্রামে। তাঁর আর্বিভাবকাল অষ্টবিংশ শতাব্দীতে, প্রায় দেড়শত বছর পূর্বে। তাঁর পিতা- মাতার নাম জানা যায়নি। বাবাজি মহারাজের পিতার দেয়া পূর্বনাম ছিল “বংশীদাস।” তাঁর বিশেষ পরিচয়- তিনি বিশ্বব্যাপী শ্রীচৈতন্য মঠ ও শ্রীগৌড়ীয় মঠসমূহের প্রতিষ্ঠাতা

শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুরের জীবনী
শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর মহাশয় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের কাজ করার সময় যখন শ্রীশ্রীজগন্নাথ পুরীধামে শ্রীমন্দির-নিকটে নারায়ণ ছাতা নামক ভবনে বাস করছিলেন, তাঁর গৃহে শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত ঠাকুর ১৮৭৪ খ্রিস্টাব্দের (১২৮০ বঙ্গাব্দের) ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার মাঘী কৃষ্ণা পঞ্চমী তিথিতে আবির্ভূত হন। তাঁর মায়ের নাম ছিল শ্রীমতি ভগবতী দেবী। শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর শ্রীবিমলা দেবীর প্রসাদ

শ্রী শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী মহারাজের জীবনী
শ্রীমৎ জয়পতাকা স্বামী ১৯৪৯ সালের ৯ এপ্রিল, রাম নবমীর পরবর্তী শুক্লপক্ষীয় কামদা একাদশী তিথিতে উত্তর আমেরিকার ইউসকনসিন প্রদেশের মিলওয়েকি অঞ্চলে এক শিক্ষানবিস যাজকের পুত্ররূপে এবং বিরাট রঙের কারখানার কোটিপতি মালিকের পৌত্ররূপে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর বিগত লীলার অন্তরঙ্গ এক ভক্তের পুনরাবির্ভাব হয় এর্ডম্যান পরিবারে। নাম ছিল জন গর্ডন। পিতার নাম- মিঃ জনহুবার্ট

শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ -এর জীবনী
কৃষ্ণকৃপাশ্রীমূর্তি শ্রীল অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ আবির্ভূত হন ১৮৯৬ সালে কলকাতায়। তাঁর সঙ্গে তাঁর গুরুদেব শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী গোস্বামী ঠাকুরের প্রথম মিলন হয় কলকাতায় ১৯২২ সালে। শ্রীল ভক্তিসিদ্ধন্ত সরস্বতী ঠাকুর ছিলেন তখনকার দিনের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত এবং সর্বাগ্রগণ্য ভগবদ্ভক্ত। তিনি গৌড়ীয় মঠ প্রতিষ্ঠা করেন এবং সমস্ত ভারত জুড়ে ৬৪টি মন্দির স্থাপন