শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু প্রতিদিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের সম্মুখে বাইশ পাহাচ (সিঁড়ি) দিয়ে উঠাকালীন বাঁদিকে শ্রীনৃসিংহ দেব বিগ্রহ দশন করে প্রণতি নিবেদন করে নৃসিংহপুরাণের দুটি শ্লোক বারবার আবৃত্তি করতেন।
নমস্তে নরসিংহায় প্রহ্লাদাহ্লাদদায়িনে।
হিরণ্যকশিপোর্বক্ষঃ শিলাটঙ্ক নখালয়ে।।
ইতো নৃসিংহঃ পরতো নৃসিংহো
যতো যতো যামি ততো নৃসিংহঃ।
বহির্নৃসিংহো হৃদয়ে নৃসিংহো
নৃসিংহমাদিং শরণং প্রপদ্যে।।
শ্রীদশাবতার স্তোত্রে কবি জয়দেব গেয়েছেন-
তব করকমলবরে নখমদ্ভুতশৃঙ্গং
দলিতহিরণ্যকশিপুতনুভৃঙ্গম্।
কেশবধৃত-নরহরিরূপ জয় জগদীশ হরে।।
ব্রহ্মসংহিতার আরও দুটি শ্লোক নৃসিংদেবের দর্শন আরতিকালে গান করা হয়-
জয় নৃসিংহ শ্রীনৃসিংহ।
জয় জয় জয় শ্রীনৃসিংহ।।
উগ্রং বীরং মহাবিষ্ণুং জ্বলন্তং সর্বতোমুখম্।
নৃসিংহং ভীষণং ভদ্রং মৃত্যোর্মৃত্যুং নমাম্যহম।।
শ্রীনৃসিংহ, জয় নৃসিংহ, জয় জয় নৃসিংহ।
প্রহ্লাদেশ জয় পদ্মামুখপদ্মভৃঙ্গ।।
শ্রীমদ্ভাগবতের ‘ভাবার্থদীপিকা’ নাকম টীকা লিখতে গিয়ে শ্রীল শ্রীধর স্বামী শ্রীনৃসিংহদেবের বন্দান করছেন-
বাগীশা যশ্য বদনে লক্ষ্মীর্যস্য চ বক্ষসি।
যস্যাস্তে হৃদয়ে সংবিৎ তং নৃসিংহমহং ভজে।।
প্রহ্লাদহৃদয়াহ্লাদং ভক্তাবিদ্যাবিদারণম্।
শরদিন্দুরুচিং বন্দে পারীন্দ্রবদনাং হরিম্।।
No Comment! Be the first one.