
ভীষ্মপঞ্চকব্রত
পিতামহ ভীষ্মদেব এই ব্রত করেছিলেন বিধায় এর নাম ভীষ্মপঞ্চক ব্রত। অত্যন্ত মহিমান্বিত এই ব্রত করার ফলে যে কেউ গোলকাধিপতি ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করতে পারেন। কোনো কোনো পুরাণে উল্লেখ আছে যে, বিশেষত যারা আজীবন নৈষ্ঠিক ব্রহ্মচর্য পালন করতে চান, তারা এই ব্রত করে ভীষ্মদেব ও তাঁর আরাধ্যদেব শ্রীকৃষ্ণের করুণা ভিক্ষা করতে

গোপাষ্টমী
গোপাষ্টমী সম্বন্ধে কূর্মপুরাণে বলা হয়েছে- কার্তিক মাসের শুক্ল অষ্টমী গোপাষ্টমী নামে বিখ্যাত। এদিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ প্রথম গোচারণে যান। এদিন যারা গাভীদের অর্চনা করবে, তাদের ভোজন প্রদান করবে, প্রদক্ষিণ করবে এবং অনুগমন করবে তাদের সমস্ত কামনা পূর্ণ হবে। শ্রীমদ্ভাগবতের দশম স্কন্দের একাদশ অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে, গোকুলে অসুরদের আক্রমণে অতিষ্ঠ হয়ে গোপেরা

গো-পূজা
গো-পূজার দিন গাভীদের মনোরমভাবে সাজানো হয়। তাদের অঙ্গে অলুদ ও সিঁদুরের ছাপ এবং নকশা আঁকা হয়। তাদের শিঙগুলোকে সজ্জিত করা হয়। এদিন গাভীদের সতেজ তৃণ-গুল্ম এবং মিষ্টদ্রব্য ভোজন করানো হয়। গাভীদের সুন্দরভাবে পূজা করে পরিক্রমা করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে নর গো-গাত্রে শুক্লবর্ণ চিত্রাদি রচনা করে পরিক্রমা করা হয়।

গোবর্ধন পূজা ও অন্নকূট মহোৎসব
শরতের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে কার্তিক মাসে ব্রজবাসীরা মহাসমারোহে ইন্দ্রপূজার আয়োজন করেন। কৃষ্ণের বয়স তখন সাত বছর। তাঁর পিতা এবং অন্যান্য লোকেদের নানান কাজে ব্যস্ত দেখে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, তোমরা কী করছো? তখন নন্দ মহারাজ বললেন যে, আমরা ইন্দ্রপূজা করছি। কৃষ্ণ জিজ্ঞেস করলেন, ইন্দ্রপূজা কেন করছো? নন্দ মহারাজ বললেন, দেখো আমরা

দীপাবলি
দীপাবলি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বিশেষ উৎসব। এই উৎসবটি কেবল ভারতবর্ষেই নয়, যে স্থানে এখনও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বাস করছেন সেখানেও মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়নমার, মরিশাস, গায়ানা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, সুরিনাম, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ফিজিতে এটি সরকারি ছুটির দিন। বাংলা, আসাম, উড়িষ্যা ও মিথিলায় এদিনে কালীপূজা

রাধাকুণ্ড ও শ্যামকুণ্ডের আবির্ভাব
অরিষ্টাসুরকে বধ করার পর রাসনৃত্যের জন্য কৃষ্ণ গোপীদের কাছে এলেন। কিন্তু কৃষ্ণের সাথে মজা করার জন্য গোপীরা তখন পিছিয়ে যেতে লাগলেন, আর বলতে লাগলেন, তোমার পক্ষে আমাদের কাউকে স্পর্শ করা ঠিক নয়। কিছুক্ষণ আগেই তুমি একটি ষাঁড়কে হত্যা করেছ। কৃষ্ণ বললেন, সে তো একটি অসুর ছিল, যে ষাঁড়ের দেহকে আশ্রয়

কলিপ্রিয়া উপাখ্যান দামোদর মহিমা
পদ্মপুরাণ ব্রহ্মখণ্ড বিংশ অধ্যায়ে, সূত-শৌনক সংবাদে বর্ণিত আছে- পুরাকালে ত্রেতাযুগে শংকর নামে সৌরাষ্ট্রদেশবাসী এক বৃষল (শূদ্র) ছিল। তার স্ত্রীর নাম কলিপ্রিয়া। সে তার স্বামীকে অযোগ্য ভেবে পরপুরুষাকাঙ্খিনী হয়ে সবসময় স্বামীকে উচ্ছিষ্ট দিত। মহামূঢ় ও নীচসঙ্গবশত মদ্য-মাংস খেয়ে স্বামীকে তিরষ্কার করত। ও মরে না কেন? ও মরলে আমি যথেচ্ছা ভোগ করব,

মূষিক উপাখ্যান দামোদর মহিমা
পদ্মপুরাণে শৌনক ঋষি সূত গোস্বামীকে বলছেন, হে সূত, কার্তিকব্রতের ফল কী? এটা না করলেই বা দোষ কী? আমাকে কার্তিকব্রতের মাহাত্ম্য বলুন। সূত বললেন, হে মুনিশ্রেষ্ঠ, জৈমিনির প্রশ্নে ব্যাসদেব যা বলেছিলেন তা বলছি। কার্তিক মাসে যে ব্যক্তি মৎস্য, তৈল ও মৈথুন ত্যাগ করে, সে বহুজন্মকৃত পাপ মুক্ত হয়ে হরিগৃহে গমন করে।

গুণবতী উপাখ্যান দামোদর মহিমা
পদ্মপুরাণ উত্তরখণ্ড ৮৮-৮৯ অধ্যায়ে বর্ণিত আছে- একবার দেবর্ষি নারদ স্বর্গের কল্পবৃক্ষজাত দিব্যপুষ্প সংগ্রহ করে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে দর্শন করতে দ্বারকায় এলেন। শ্রীকৃষ্ণ দেবর্ষি নারদকে সাদর সম্ভাষণ জানিয়ে পাদ্য, অর্থ প্রদান করে বসার জন্য আসন প্রদান করলেন। আসন প্রদান করে নারদ সেই দিব্যপুষ্প ভগবানকে নিবেদন করলেন। ভগবান তখন পুষ্পগুলো তাঁর ষোল

দ্রাবিড়দেশীয় ব্রাহ্মণীর উপাখ্যান দামোদর মহিমা
স্কন্দপুরাণে (বিষ্ণুখণ্ড, কার্তিকমাস মাহাত্ম্য, ৭ম অধ্যায়) আছে- পূর্বকালে দ্রাবিড়দেশে বুন্ধ নামে এক ব্রাহ্মণ ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিল খুবই দুষ্টা প্রকৃতির এবং দুরাচার সম্পন্না। ঐ স্ত্রীর সংসর্গে থাকার ফলে ব্রাহ্মণের আয়ু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হলেন। পতির মৃত্যুর পরেও ঐ স্ত্রীলোকটি আরো বিশেষভাবে ব্যভিচারে লিপ্ত হলো। এমনকি লোকনিন্দার ভয় না